এবার বাস চালালেন কচিপাতা ম্যাগাজিনের সম্পাদক আলেয়া বেগম আলো

এবার বাস চালালেন কচিপাতা ম্যাগাজিনের সম্পাদক আলেয়া বেগম আলো। সাজুগুজো করে ড্রাইভিং সিটে বসা। শক্ত মুঠোয় ধরা বাসের স্ট্রীয়ারিংয়ের হাতল। পেছনে যাত্রী। ছুটে চলছেন ঢাকা মহনগরীর মিরপুরের এ মাথা থেকে ও মাথা। এমন নারী বাস চালকের রীতিমতো রাজত্ব করছেন নগরীতে এমনটা তেমন দেখা যায়না। কয়েক দশক আগেও যেখানে হাতে গোনা কয়েকজন নারী প্রাইভেটকার চালক ছিল, সেখানে এখন এ নারী বাসচালক ছুটে বেড়াচ্ছেন নগরীজুড়ে।  অনেকের কাছ থেকে জানা গেল, ৯০ দশকে ঢাকার রাস্তায় প্রথম হাতে গোনা কয়েকজন নারীকে বাস চালাতে দেখা যেত এমনটা দেখেননি কেউ। তবে এর দীর্ঘ সময় পর ২০১০-১১ সালের দিকে হাতে গোনা কয়েকজন নারীকে ঢাকার সড়কে বাইক চালাতেন এমনটা দেখেছেন অনেকে যারা ছিলেন মূলত বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানির প্রতিনিধি।  ছোটবেলা থেকেই ব্যতিক্রমধর্মী কিছু একটা করার ইচ্ছা ছিল আমার৷ যেটা সাধারণত কেউ করে না তেমনি একটু চ্যালেঞ্জিং ধরণের কিছু একটা করার ইচ্ছা ছিল আমার৷ এ ইচ্ছা পূরণ করাটা আমার জন্য এতো সহজ ছিল না, কেননা আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে৷ এদিকে আমাকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার মতো অর্থনৈতিক সামর্থ্যও আমার বাবা-মায়ের তেমন কোন কমতি ছিল না৷ তবে আমি জেদ করি, আমি পড়বই,  আমি করবই।  বাস চালানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে কচিপাতা ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও প্রকাশক আলেয়া বেগম আলোর ফেসবুক স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলো-  ২য় বার বাস চালালাম  রোজার ঈদের পর খালার বাসায় যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে বের হই বাসা থেকে।ঈদের বেড়ানো তাই শাড়ী পড়ে খুব সাজুগুজু করেছি।খালার বাসা মিরপুর মনিপুর এ। সাথে আমার বাবা ও দুই ছেলে। ডিওএইচএস থেকে মিরপুর ১২ গেলাম রিকশায়। বাসস্ট্যান্ড এ খাজা পরিবহন এর একটি বাস দাঁড়িয়ে আছে। গাড়ী থেকে ওস্তাদ নেমে আসলো বললো বসেন গাড়ী যাবে, চা খেয়ে নেই। আমিও সুযোগ পেলাম চা খাওয়ার। আববাও বাইরে চা পেলে খুব খুশি জানি।আব্বাকে বললাম আব্বা চা খাবেন তো? চা খাওয়ার অভ্যাসটা প্রথম প্রথম আব্বার কাছ থেকেই শিখেছি।আব্বা মাথা নাড়ায় খাবে। দোকানে বসে চা খাচ্ছি আর ওস্তাদসহ (গাড়ীর ড্রাইভার) গল্প করছি। দোকানদারকে বলি ওস্তাদের চায়ের বিল আমি দিব নিয়েন না। গল্পের মাঝে ওস্তাদকে বলি আমি কিন্তু বাস চালাইতে পারি। যেই বলা সেই কাজ। সাথে ছিল কনটেকটারও। ওস্তাদ নির্বিকারভাবে বলে ঠিকআছে তাহলে চালান আজকে। আমি বলি ঠিক আছে চালাব তবে, এর আগে শুধু একদিন অল্প একটু চালাইসি। আমার পাশের সিটে আপনার থাকা লাগবে। ড্রাইভার ভাই বলেন সমষ্যা নাই রাস্তা ফাকা আপনি ১০ নাম্বার পর্যন্ত চালাইয়া নেন, পারবেন। কনটেকটার বলে আমি দেখাইয়া দিব কিভাবে কি করবেন কোন সমস্যা হবে না পারবেন।কনেটেকটারকে দেখলাম আমি বাস চালাব এতে সে খুব থুশি এবং একসাইটেড।  তারপর চা খাওয়া শেষে বাস এ উঠলাম বাবা আর ছেলেদের নিয়ে। গিয়ে বসলাম ড্রাইভিং সিটে আল্লাহর নাম নিয়ে। ওস্তাদ দুর থেকে বলে বসে আমি সিগারেটটা শেষ করে আসতাসি। আমি বলি, আসেন। এরপর কনটেকটার এসে আমাকে বলছে আপা এইটা ক্লাস, এইটা ব্রেক এইটা গিয়ার…. কথা শেষ হতে না হতেই ওস্তাদ এসে কনকেটারকে হালকা ধমকের সুরে বলে ..ওই তুই আফারে এত বুঝাইতাসস ক্যান সর। আপা ম্যানুয়াল গাড়ি চালাইয়া আসছে। নইলে উনি ড্রাইভং সিটে বসছে নাকি এমনিতেই। মনে মনে ভাবলাম এরেই বলে ওস্তাদ। ওস্তাদ ঠিকই বুঝছে যে আমি ম্যানুয়াল কার চালিয়েছি।আমি তো মুখে বলি নাই।  গাড়ীতে কয়েকজন প্যাসেঞ্জার ছিল। একজন মহিলাও ছিল। আমার মনে মনে ধারনা ছিল যে আমি গাড়ী চালানো স্টার্ট করলে মনে হয় কেউ কেউ নেমে যেতে পারে। না কেউ নামল না। এমনকি কারো তেমন কোন বিকারও নেই। একজন সাজগোজ করা মহিলা বাস চালাচ্ছে যেন তাদের কাছে সাভাবিক বিষয়। এমনকি বাসের জানালা দিয়ে বাচ্চা কোলে এক দম্পত্তি এস জানতে চাইলো আমার কাছে গাড়ী নারায়নগঞ্জ যাবে কিনা। আমি কনেটেকটারের কাছ থেকে জেনে উত্তর দিলাম।  এরপর গাড়ী স্টার্ট দিলাম। আমার ছেলেরা যথারিতি মোবাইল নিয়ে বসে গেছে ছবি আর ভিডিওর জন্য। তারা জানে এখন ছবি তুলতে হবে। হা হা। কিছুদূর চালিয়ে গেলাম। সামনে এক ভ্যান পড়ল। জোরে ব্রেক করলাম। বড় ছেলে বলে আ্ম্মু এত জোড়ে ব্রেক করা তো ঠিক না। আমি বলি হুম। এরপরি আরো একটু যাওয়ার পর মেট্রোরেল এর জন্য রাস্তা ব্লক করা। বাম দিক দিয়ে আবাসিক এলাকার অলি গলি দিয়ে বাস চালিয়ে নিতে হবে তাই ওস্তাদও চাইলো আর আমিও দিয়ে দিলাম।  পরে কনেটেকটার আমাকে মিরপুর বিসিক এ বাস পট্টিতে দাওয়াত দিয়ে রাখে। সেখানে ফাকা জায়গা আছে শুক্রবারে গেলে বাস চালানো শিখাবে। ফোন নাম্বার নিয়ে বিদায় দিয়ে আসি তাদের।  বাস থেকে নেমে আব্বাকে বলি আব্বা কেমন লাগলো আন্নের মাইয়া বাস চালাইলো? আব্বা মৃচকি মুচকি হাসে আর বলে ভালো ভালো।  খালার বাসায় গিয়ে খালাকে বলি খালা আন্নের তিন প্রেমিকরে (আমার আব্বার সাথে খালার শালী দুলাভাইয়ের খুব সুন্দর সম্পর্ক আর আমার ২ছেলে তো তার নাতি) বাস চালাইয়া নিয়া আসছি। খালাত ভাইয়ের বৌ খালাত বোন বিশআবস করে না। বলে হুর। পরে ছবি দেখাই। খালা বলে আর কিরবি তুই, আর কি বাই রাখসস?? (মানে আর কি বাকী রাখছিস) এরপর সাংবাদিক কবি নাসনরীন আপাকে ফোনে ঘটনা বলে বলি আপা ভাবছি এক বছর কোন কোম্পানির বাস এর ড্রাইভারের চাকরী করব। যাই বেতন দিবে সমস্যা নেই একটা অভিজ্ঞতা হেবে। আপা খুব উৎসাহ দিয়ে বললেন গণস্বাস্থ্যে যোগাযোগ করে দেখতে পারো। সুবিধা ভালো ওদের।  ঘটনাটা রোজার ঈদ মে ২০২১ এর কিন্তু লেখাটা সমাপ্ত করার সময় বের করতে পারিনি বিধায় দেরি হলো।  উল্লেখ্য:- সৌদি নারীদের বাসচালক হিসাবে নিয়োগ দিচ্ছে সে দেশের সরকার। তবে তারা কোনো পাবলিক বাস চালাবেন না, কেবল স্কুলবাস চালাবেন। নানা যাচাই বাছাইয়ের পর শুধুমাত্র যোগ্য নারীদেরই বাসচালক পদে নিয়োগ দেয়া হবে।
 
করে ড্রাইভিং সিটে বসা। শক্ত মুঠোয় ধরা বাসের স্ট্রীয়ারিংয়ের হাতল। পেছনে যাত্রী। ছুটে চলছেন ঢাকা মহনগরীর মিরপুরের এ মাথা থেকে ও মাথা। এমন নারী বাস চালকের রীতিমতো রাজত্ব করছেন নগরীতে এমনটা তেমন দেখা যায়না। কয়েক দশক আগেও যেখানে হাতে গোনা কয়েকজন নারী প্রাইভেটকার চালক ছিল, সেখানে এখন এ নারী বাসচালক ছুটে বেড়াচ্ছেন নগরীজুড়ে।

অনেকের কাছ থেকে জানা গেল, ৯০ দশকে ঢাকার রাস্তায় প্রথম হাতে গোনা কয়েকজন নারীকে বাস চালাতে দেখা যেত এমনটা দেখেননি কেউ। তবে এর দীর্ঘ সময় পর ২০১০-১১ সালের দিকে হাতে গোনা কয়েকজন নারীকে ঢাকার সড়কে বাইক চালাতেন এমনটা দেখেছেন অনেকে যারা ছিলেন মূলত বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানির প্রতিনিধি।


ছোটবেলা থেকেই ব্যতিক্রমধর্মী কিছু একটা করার ইচ্ছা ছিল আমার৷ যেটা সাধারণত কেউ করে না তেমনি একটু চ্যালেঞ্জিং ধরণের কিছু একটা করার ইচ্ছা ছিল আমার৷ এ ইচ্ছা পূরণ করাটা আমার জন্য এতো সহজ ছিল না, কেননা আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে৷ এদিকে আমাকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার মতো অর্থনৈতিক সামর্থ্যও আমার বাবা-মায়ের তেমন কোন কমতি ছিল না৷ তবে আমি জেদ করি, আমি পড়বই,  আমি করবই।


বাস চালানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে কচিপাতা ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও প্রকাশক আলেয়া বেগম আলোর ফেসবুক স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলো-


২য় বার বাস চালালাম 

রোজার ঈদের পর খালার বাসায় যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে বের হই বাসা থেকে।ঈদের বেড়ানো তাই শাড়ী পড়ে খুব সাজুগুজু করেছি।খালার বাসা মিরপুর মনিপুর এ। সাথে আমার বাবা ও দুই ছেলে। ডিওএইচএস থেকে মিরপুর ১২ গেলাম রিকশায়। বাসস্ট্যান্ড এ খাজা পরিবহন এর একটি বাস দাঁড়িয়ে আছে। গাড়ী থেকে ওস্তাদ নেমে আসলো বললো বসেন গাড়ী যাবে, চা খেয়ে নেই। আমিও সুযোগ পেলাম চা খাওয়ার। আববাও বাইরে চা পেলে খুব খুশি জানি।আব্বাকে বললাম আব্বা চা খাবেন তো? চা খাওয়ার অভ্যাসটা প্রথম প্রথম আব্বার কাছ থেকেই শিখেছি।আব্বা মাথা নাড়ায় খাবে। দোকানে বসে চা খাচ্ছি আর ওস্তাদসহ (গাড়ীর ড্রাইভার) গল্প করছি। দোকানদারকে বলি ওস্তাদের চায়ের বিল আমি দিব নিয়েন না। গল্পের মাঝে ওস্তাদকে বলি আমি কিন্তু বাস চালাইতে পারি। যেই বলা সেই কাজ। সাথে ছিল কনটেকটারও। ওস্তাদ নির্বিকারভাবে বলে ঠিকআছে তাহলে চালান আজকে। আমি বলি ঠিক আছে চালাব তবে, এর আগে শুধু একদিন অল্প একটু চালাইসি। আমার পাশের সিটে আপনার থাকা লাগবে। ড্রাইভার ভাই বলেন সমষ্যা নাই রাস্তা ফাকা আপনি ১০ নাম্বার পর্যন্ত চালাইয়া নেন, পারবেন। কনটেকটার বলে আমি দেখাইয়া দিব কিভাবে কি করবেন কোন সমস্যা হবে না পারবেন।কনেটেকটারকে দেখলাম আমি বাস চালাব এতে সে খুব থুশি এবং একসাইটেড।


তারপর চা খাওয়া শেষে বাস এ উঠলাম বাবা আর ছেলেদের নিয়ে। গিয়ে বসলাম ড্রাইভিং সিটে আল্লাহর নাম নিয়ে। ওস্তাদ দুর থেকে বলে বসে আমি সিগারেটটা শেষ করে আসতাসি। আমি বলি, আসেন। এরপর কনটেকটার এসে আমাকে বলছে আপা এইটা ক্লাস, এইটা ব্রেক এইটা গিয়ার…. কথা শেষ হতে না হতেই ওস্তাদ এসে কনকেটারকে হালকা ধমকের সুরে বলে ..ওই তুই আফারে এত বুঝাইতাসস ক্যান সর। আপা ম্যানুয়াল গাড়ি চালাইয়া আসছে। নইলে উনি ড্রাইভং সিটে বসছে নাকি এমনিতেই। মনে মনে ভাবলাম এরেই বলে ওস্তাদ। ওস্তাদ ঠিকই বুঝছে যে আমি ম্যানুয়াল কার চালিয়েছি।আমি তো মুখে বলি নাই।


গাড়ীতে কয়েকজন প্যাসেঞ্জার ছিল। একজন মহিলাও ছিল। আমার মনে মনে ধারনা ছিল যে আমি গাড়ী চালানো স্টার্ট করলে মনে হয় কেউ কেউ নেমে যেতে পারে। না কেউ নামল না। এমনকি কারো তেমন কোন বিকারও নেই। একজন সাজগোজ করা মহিলা বাস চালাচ্ছে যেন তাদের কাছে সাভাবিক বিষয়। এমনকি বাসের জানালা দিয়ে বাচ্চা কোলে এক দম্পত্তি এস জানতে চাইলো আমার কাছে গাড়ী নারায়নগঞ্জ যাবে কিনা। আমি কনেটেকটারের কাছ থেকে জেনে উত্তর দিলাম।


এরপর গাড়ী স্টার্ট দিলাম। আমার ছেলেরা যথারিতি মোবাইল নিয়ে বসে গেছে ছবি আর ভিডিওর জন্য। তারা জানে এখন ছবি তুলতে হবে। হা হা। কিছুদূর চালিয়ে গেলাম। সামনে এক ভ্যান পড়ল। জোরে ব্রেক করলাম। বড় ছেলে বলে আ্ম্মু এত জোড়ে ব্রেক করা তো ঠিক না। আমি বলি হুম। এরপরি আরো একটু যাওয়ার পর মেট্রোরেল এর জন্য রাস্তা ব্লক করা। বাম দিক দিয়ে আবাসিক এলাকার অলি গলি দিয়ে বাস চালিয়ে নিতে হবে তাই ওস্তাদও চাইলো আর আমিও দিয়ে দিলাম।


পরে কনেটেকটার আমাকে মিরপুর বিসিক এ বাস পট্টিতে দাওয়াত দিয়ে রাখে। সেখানে ফাকা জায়গা আছে শুক্রবারে গেলে বাস চালানো শিখাবে। ফোন নাম্বার নিয়ে বিদায় দিয়ে আসি তাদের।


বাস থেকে নেমে আব্বাকে বলি আব্বা কেমন লাগলো আন্নের মাইয়া বাস চালাইলো? আব্বা মৃচকি মুচকি হাসে আর বলে ভালো ভালো।


খালার বাসায় গিয়ে খালাকে বলি খালা আন্নের তিন প্রেমিকরে (আমার আব্বার সাথে খালার শালী দুলাভাইয়ের খুব সুন্দর সম্পর্ক আর আমার ২ছেলে তো তার নাতি) বাস চালাইয়া নিয়া আসছি। খালাত ভাইয়ের বৌ খালাত বোন বিশআবস করে না। বলে হুর। পরে ছবি দেখাই। খালা বলে আর কিরবি তুই, আর কি বাই রাখসস?? (মানে আর কি বাকী রাখছিস)

এরপর সাংবাদিক কবি নাসনরীন আপাকে ফোনে ঘটনা বলে বলি আপা ভাবছি এক বছর কোন কোম্পানির বাস এর ড্রাইভারের চাকরী করব। যাই বেতন দিবে সমস্যা নেই একটা অভিজ্ঞতা হেবে। আপা খুব উৎসাহ দিয়ে বললেন গণস্বাস্থ্যে যোগাযোগ করে দেখতে পারো। সুবিধা ভালো ওদের।


ঘটনাটা রোজার ঈদ মে ২০২১ এর কিন্তু লেখাটা সমাপ্ত করার সময় বের করতে পারিনি বিধায় দেরি হলো।


উল্লেখ্য:- সৌদি নারীদের বাসচালক হিসাবে নিয়োগ দিচ্ছে সে দেশের সরকার। তবে তারা কোনো পাবলিক বাস চালাবেন না, কেবল স্কুলবাস চালাবেন। নানা যাচাই বাছাইয়ের পর শুধুমাত্র যোগ্য নারীদেরই বাসচালক পদে নিয়োগ দেয়া হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post